بسم الله الرحمن الرحيم
ناد عليا مظهر العجائب
تجده عونالك فى النو
ائب كل هم
وغم سينجلى
بعظمتك ىا الله
بنبوتك يا رسول الله
وبولايتك ياعلى ياعلى ياعلى
উচ্চারণ:
বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
নাদে আলীয়ান মাজহারুল আজাইবি
নাদে আলীয়ান মাজহারুল আজাইবি
তাজিদুহু আওননা লাকা ফিননা
ওয়াইয়াবকা হাম্মিন ওয়া গাম্মিন ছা-ইয়ানজালি
বিআজমাইতিকা ইয়া আল্লাহু
ওয়া বিনাবুওয়াতিকা ইয়া রাছুলাল্লাহী
ওয়া বিবিলাইয়াতিকা ইয়া আলীউ, ইয়া আলীউ, ইয়া আলীউ।
না’দে আলীর আমল যারা করবেন অবশ্যই পূর্বে ও পরে এগারবার
দরূদ পাঠ করবেন। ইমামে আ’জম আবু হানিফা রাদিয়াল্লাহু আনহুর উস্তাদ ও পীর
হযরত ইমাম জাফর ছাদেক (আ) হতে বর্ণিত, না’দে আলী দোয়ার আমল করার মধ্যে
অনেক উপকার বা ফজিলত রয়েছে।
না’দে আলী পাঠ করার নিয়মাবলী
ও উপকারিতা =========
১। শত্র“কে তাবে বা অধিন করার ইচ্ছা থাকলে (শত্রুর)
তাছাব্বুর বা আকৃতির খেয়াল করে ১৮ বার পড়তে হবে।
২। কোন কঠিন সমস্যাকে ত্বরান্বিতভাবে আয়ত্বে আনতে চাইলে দুই রাকাত
নফল নামায হাযতের নিয়তে পড়বেন, প্রত্যেক রাকাতে সূরায়ে
ফাতেহার পর তিনবার সূরায়ে এখলাছ পাঠ করে নামায শেষ করে তার
সওয়াব শেরে খোদা হযরত আলী মুরতাদা, মুশকিল কোশা রাদিয়াল্লাহু
আনহু এর রূহ মোবারকে বখশে দিবেন। ইহার পর ৭০বার না’দে আলী
পড়বেন। ইনশায়াল্লাহ ঐদিনই কমিয়াবি হাসিল হবে। একাধারে
তিনদিন এরূপ আমল করবেন।
৩। শত্রু এবং অপরের উন্নতি দেখতে পারে না এমন
ব্যক্তিবর্গের খারাপ সমালোচনা বন্ধ করার নিয়তে প্রত্যেক নামাযের পর
দশবার পাঠ করবেন।
৪। প্রত্যেক জটিল সমস্যা নিরসনের জন্য দুই রাকাত
নফল নামায আদায় কারার পর দণ্ডায়মান অবস্থায় না’দে আলী
দোয়া ৪৪বার পড়বেন।
৫। লোকজনের মহব্বত লাভ করার জন্য উক্ত দোয়া ৪৭বার পাঠ
করে নিজ হাতের তালুতে ফুঁক দিয়ে সারা শরিরে হাত মুছে নিবেন, যে
ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করবেন সে ব্যক্তিই বাধ্য হবে।
৬। এই দোয়া ১৫বার পাঠ
করে পানিতে ফুঁক দিয়ে জ্বিন, আছিব, ইত্যাদির আছরপ্রাপ্ত ব্যক্তির উপর পানি
ছিটিয়ে দিলে মুক্তি লাভ করবে।
৭। বিপদগ্রস্থ ও চিহ্নিত
ব্যক্তি প্রতিদিন একহাজার মর্তবা পবিত্র অবস্থায় পাঠ করলে
আল্লাহর ফজল ও করমে সমস্ত চিন্তা দুরীভূত হবে।
৮। পর্যাপ্ত পরিমাণে
ধনসম্পদ ও ইজ্জত হুরমত লাভ করতে চাইলে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে
৫০০বার এই দোয়া পড়লে খোদার মর্জিতে কৃতকার্য হবে।
৯। পর্যাপ্ত পরিমাণ
ধনসম্পদ ও ইজ্জত হুরমত অর্জন করতে চাইলে প্রতিদিন
ফজরের নামাযের পর এই দোয়া ৯১বার পাঠ করলে কিছুদিনের মধ্যেই
কৃতকার্য হতে পারবে।
অবশ্যই মরণ পর্যন্ত এই আমল ঠিক
রাখা বাঞ্ছনীয়, কিন্তু সময় ও জায়গা ঠিক রাখতে হবে। অপারগ
অবস্থায় কোথাও সফরে গেলে জায়নামায সঙ্গে রাখা বিশেষ প্রয়োজন।
১০.
হুজুর পুরনূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের
দিদার বা দর্শন লাভ করতে চাইলে পরিপূর্ণ পবিত্রতার সাথে এশার
নামাযের পর নাদে আলী ৫০০বার এবং পূর্বে ও পরে একশতবার দরূদশরীফ পাঠ
করে অযুর সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়বেন।
ইনশায়াল্লাহুল আজিজ এই রাতেই নূরনবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্র দিদার লাভ করতে
পারবে। (আমালে রেজা ও শময়ে শবিস্তানে রেজা দ্র.)





