মুশির্দ হতে খেলাফত বা খেরকা গ্রহণ

তরিকতী শিক্ষা পূর্ণ হলে মুশির্দ যোগ্যদের খলিফা বা যোগ্যতা সরূপ খেরকা দান করছেন।

কালিয়াকৈর উয়ায়েছিয়া পাক দরবার

এটি দরবারে শাহ আফজ নামেও খ্যাত। উয়ায়েছিয়া তরিকার উজ্জল নক্ষত্র হযরত শাহ আফাজ উদ্দিন উয়ায়েছি (রহ)এর মাজার জিয়ারত।

বাংলাদেশে বৃহতর উয়ায়েছিয়া তরিকার মাজার- “দরবার-এ-মুহসিন”

মানিকগঞ্জে হিজুলীতে চমকপ্রদ মাজার। হযরত শাহ মুহসিন খান (রহ) উয়ায়েছির মাজার। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমেদ খান তাঁর মুশির্দ ও পিতার দরবারে গদ্দিনশীন।

বাংলাদেশে বৃহতর উয়ায়েছিয়া তরিকার মাজার- “দরবার-এ-মুহসিন”

মানিকগঞ্জের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও আধুনিক স্থাপত্যের দরগাহ হলো 'শাহ মুহাম্মদ মহসিন খান দরগাহ', যা হিজুলী এলাকায় অবস্থিত। এটি জানালাবিহীন, ৫২ হাজার ইট দিয়ে নির্মিত একটি পরিবেশবান্ধব ও পুরস্কারপ্রাপ্ত স্থাপত্য। বিশ শতকের সুফি সাধক মহসিন খানের স্মরণে নির্মিত এই মাজারটি স্থানীয়ভাবে “উয়ায়েসি মহল” নামেও পরিচিত| Shah Muhammad Mohshin Khan Dargah.

হযরত শাহ কছিমুদ্দিন উয়ায়েছি (রহ) এর দরগা

উয়ায়েছিয়া তরিকার ওলিগণ বহু কিতাব রচনা করেছেন। তারমধ্যে হযরত শাহ কছিমুদ্দিন উয়ায়েছি (রহ) “মসনবী” ও “দেওয়ান” ফার্সী ভাষায় অমূল্য কিতাব রচনা করেন। পরবর্তীতে হযরত বখশী জাঁহাগীর আলী মিয়া তার মুর্শীদ হযরত মহসীন খান (রহ) এর সহায়তায় উক্ত কিতাবের বাংলা ভাষান্তর করে উয়াছেছিয়া তারিকার শিক্ষার্থীদের জন্য সহজতর করে দেন।

হযরত শাহ বজলুর রহমান জুলকারনাঈন (রহ);

উয়ায়েছিয়া তরিকার ওলিগণ বহু কিতাব রচনা করেছেন। তারমধ্যে ভাষা সৈনিক হযরত শাহ বজলুর রহমান জুলকারনাঈন (রহ) “নাহাজুল বালাঘা (অনুবাদ)” ও “ঈমানের ইশারা ১-৪ খন্ড” সহ বহু অমূল্য কিতাব রচনা করেন। তার খলিফা হযরত শাহ নুরুল কবীর উয়ায়েছী “ঈশ্বর গড ও আল্লাহর ইতিহাস” “আরবের কালো পাথর” “ আহলে বায়েত ও তাদের সবাশন” এবং উয়ায়ছি তরিকার বেশ কিছু কিতাব ইংলিশ ভাষায় ভাষান্তর করে নর্থ আমেরিকা হতে উয়ায়েছিয়া তরিকার প্রচার করে যাচ্ছেন।

Friday, August 17, 2012

চিন্তা করবেন? না চিন্তা ছাড়বেন!

চিন্তা করবেন? না চিন্তা ছাড়বেন!

-আশেক মুর্শেদ ওয়ায়সী 
আল কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সর্বত্র চিন্তাকরার, জ্ঞানী হওয়ার তাগিদ এত বেশী দিয়েছেন যেখানে আল্লাহ জ্ঞানী হওয়া বেশী পছন্দ করেন। সেখানে আমাদের আলেম উপধিগণ (এমনকি ভ্রান্ত পীরগণও) মানুষকে কেবল পড়া-পড়ির মধ্যে ও তছবী তিলওয়াতের মধ্যে সারা দিন-রাত নিমগ্ন থাকার উপদেশ দিয়ে বেড়ান এবং ঐগুলিকেই ইসলাম বলে হাজির করেন। অথচ রসূল (সাঃ) বলেছেন- এক মুহুর্ত জ্ঞান চর্চা বা জ্ঞান আলোচনা সারারাত এবাদতের সমান বা উত্তম। শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু হিসাবে কোরআন থেকে চিহ্নিত। সে এবাদত বন্দীগি সবার চেয়ে বেশী করেছিল। তাই সে ধার্মিক ছদ্মবেশেই ধোকা দিয়ে থাকে। কিন্তু জ্ঞানীলোক ব্যাতিত সকলেই শয়তানের ধোকায় পড়ে। তাই জ্ঞান সাধনাই জন্যই যত লেখা-যোখা। কিছু কথায় কারো মাথায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারে কিন্তু তা জ্ঞান অন্মেষণের জন্যই। কারণে নেগেটিভ না থাকলে পজেটিভ এর ফলাফল পাওয়া যায় না। আর এই ফলাফলের জন্যই নেগেটিভ ও পজেটিভ উভয়টির প্রয়োজন। একটি আরবীয় প্রবাদ আছে যে, তুমি যদি ময়লা নিয়ে না ঘাট; তবে পরিশুদ্ধ হবে কিভাবে।

বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ (ছা.) ও তাঁর আহলে বায়েত বইটি প্রত্যেক রাসূল অনুসারী ও অনুসন্ধিৎসা পাঠকদের জন্য ..

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রাসূল (ছা.) জীবনি সম্পর্কে স্বচ্ছ ও সত্য জ্ঞানার্জনে বইটিতে যা যা পাবেন তা সংক্ষেপে নিন্ম: হযরত মু...