চিন্তা করবেন? না চিন্তা ছাড়বেন!
-আশেক মুর্শেদ ওয়ায়সী
আল কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সর্বত্র চিন্তাকরার, জ্ঞানী হওয়ার তাগিদ এত বেশী দিয়েছেন যেখানে আল্লাহ জ্ঞানী হওয়া বেশী পছন্দ করেন। সেখানে আমাদের আলেম উপধিগণ (এমনকি ভ্রান্ত পীরগণও) মানুষকে কেবল পড়া-পড়ির মধ্যে ও তছবী তিলওয়াতের মধ্যে সারা দিন-রাত নিমগ্ন থাকার উপদেশ দিয়ে বেড়ান এবং ঐগুলিকেই ইসলাম বলে হাজির করেন। অথচ রসূল (সাঃ) বলেছেন- এক মুহুর্ত জ্ঞান চর্চা বা জ্ঞান আলোচনা সারারাত এবাদতের সমান বা উত্তম। শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু হিসাবে কোরআন থেকে চিহ্নিত। সে এবাদত বন্দীগি সবার চেয়ে বেশী করেছিল। তাই সে ধার্মিক ছদ্মবেশেই ধোকা দিয়ে থাকে। কিন্তু জ্ঞানীলোক ব্যাতিত সকলেই শয়তানের ধোকায় পড়ে। তাই জ্ঞান সাধনাই জন্যই যত লেখা-যোখা। কিছু কথায় কারো মাথায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারে কিন্তু তা জ্ঞান অন্মেষণের জন্যই। কারণে নেগেটিভ না থাকলে পজেটিভ এর ফলাফল পাওয়া যায় না। আর এই ফলাফলের জন্যই নেগেটিভ ও পজেটিভ উভয়টির প্রয়োজন। একটি আরবীয় প্রবাদ আছে যে, তুমি যদি ময়লা নিয়ে না ঘাট; তবে পরিশুদ্ধ হবে কিভাবে।










