Friday, August 17, 2012

চিন্তা করবেন? না চিন্তা ছাড়বেন!

চিন্তা করবেন? না চিন্তা ছাড়বেন!

-আশেক মুর্শেদ ওয়ায়সী 
আল কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সর্বত্র চিন্তাকরার, জ্ঞানী হওয়ার তাগিদ এত বেশী দিয়েছেন যেখানে আল্লাহ জ্ঞানী হওয়া বেশী পছন্দ করেন। সেখানে আমাদের আলেম উপধিগণ (এমনকি ভ্রান্ত পীরগণও) মানুষকে কেবল পড়া-পড়ির মধ্যে ও তছবী তিলওয়াতের মধ্যে সারা দিন-রাত নিমগ্ন থাকার উপদেশ দিয়ে বেড়ান এবং ঐগুলিকেই ইসলাম বলে হাজির করেন। অথচ রসূল (সাঃ) বলেছেন- এক মুহুর্ত জ্ঞান চর্চা বা জ্ঞান আলোচনা সারারাত এবাদতের সমান বা উত্তম। শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু হিসাবে কোরআন থেকে চিহ্নিত। সে এবাদত বন্দীগি সবার চেয়ে বেশী করেছিল। তাই সে ধার্মিক ছদ্মবেশেই ধোকা দিয়ে থাকে। কিন্তু জ্ঞানীলোক ব্যাতিত সকলেই শয়তানের ধোকায় পড়ে। তাই জ্ঞান সাধনাই জন্যই যত লেখা-যোখা। কিছু কথায় কারো মাথায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারে কিন্তু তা জ্ঞান অন্মেষণের জন্যই। কারণে নেগেটিভ না থাকলে পজেটিভ এর ফলাফল পাওয়া যায় না। আর এই ফলাফলের জন্যই নেগেটিভ ও পজেটিভ উভয়টির প্রয়োজন। একটি আরবীয় প্রবাদ আছে যে, তুমি যদি ময়লা নিয়ে না ঘাট; তবে পরিশুদ্ধ হবে কিভাবে।


আমরা মুসলমান দাবীদারগণ কালেমার বলে মুসলমান। কালেমাতে সর্বজ্ঞানময় সর্বশক্তিমান স্রষ্টা ও সর্ব সৃষ্টির মূল যিনি সেই নূরে মুজাচ্ছাম রছুল (সাঃ) এর কথা বলা আছে। এই কালেমার জ্ঞান যেমন পারলৌকিক কল্যাণ আনয়ন করে, তেমনি ইহকালিণ কল্যাণ আনয়ন করে। এই কালিমাতে যে নেগেটিভ ও পজেটিভ রয়েছে তাও জ্ঞানীদের জন্য চিন্তার বিষয়। দেখুন আধ্যাত্মিক জগতের চমর শিখর পৌছে মানুষ নিজেকে খোদা দাবী করেছেন। তাছাউফের জ্ঞানে জ্ঞানবান মনুসর হল্লাজ সর্ব শিখরে পৌছে ‘আমি খোদা’ দাবী করেছেন ও আল্লাহর প্রিয় পাত্র বা অলী হয়ে আছেন। আবার অংহকারে নিমজ্জিত ফেরাউন ‘আমি খোদা’ দাবী করে অভিষপ্ত ও দোজখবাসী। তাই সবকিছুই আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তার নির্দেশ মত হতে হবে।

 তার নির্দেশেই- ‘‘ভুল হয় শুদ্ধ আর শুদ্ধ হয় ভুল;
এ নদীতে নৌকা বে’য়ে ভার পাওয়া কূল’’
-- শাহ কছিম উদ্দিন আহমদ উয়ায়সী, (দেওয়ান কাব্যগন্থ)
কুরআনে চিন্তা করার জন্য আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ:-
(1) তারা কি চিন্তা করে না যে,তারা পুনরুত্থিত হবে। (Al-Mutaffifin: 4)
(2) সেদিন প্রত্যেকেরই নিজের এক চিন্তা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে। (Abasa: 37)
(3) আপনি তার চিন্তায় মশগুল। (Abasa: 6)
(4) সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির করেছে, (Al-Muddaththir: 18)
(5) যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিনীত হয়ে আল্লাহ তা’আলার ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আমি এসব দৃষ্টান্ত মানুষের জন্যে বর্ণনা করি,যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। (Al-Hashr: 21)
(6) মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আল্লাহ তা’আলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা’আলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন। (Al-Hashr: 18)
(7) আমি তোমাদের সমমনা লোকদেরকে ধ্বংস করেছি, অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি? (Al-Qamar: 51)
(8) আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি? (Al-Qamar: 40)
(9) আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি? (Al-Qamar: 32)
(10) আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি? (Al-Qamar: 22)
(11) আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি? (Al-Qamar: 17)
(12) আমি একে এক নিদর্শনরূপে রেখে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি? (Al-Qamar: 15)
(13) আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী। (Qaaf: 16)
(14) তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ? (Muhammad: 24)
(15) আপনি কি তার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যে তার খেয়াল-খুশীকে স্বীয় উপাস্য স্থির করেছে? আল্লাহ জেনে শুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তার কান ও অন্তরে মহর এঁটে দিয়েছেন এবং তার চোখের উপর রেখেছেন পর্দা। অতএব, আল্লাহর পর কে তাকে পথ প্রদর্শন করবে? তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না? (Al-Jaathiya: 23)
(16) এবং আয়ত্ত্বাধীন করে দিয়েছেন তোমাদের, যা আছে নভোমন্ডলে ও যা আছে ভূমন্ডলে; তাঁর পক্ষ থেকে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। (Al-Jaathiya: 13)
(17) নিশ্চয় যারা কোরআন আসার পর তা অস্বীকার করে, তাদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনার অভাব রয়েছে। এটা অবশ্যই এক সম্মানিত গ্রন্থ। (Fussilat: 41)
(18) নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় করো না, চিন্তা করো না এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন। (Fussilat: 30)
(19) তিনিই তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান এবং তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে নাযিল করেন রুযী। চিন্তা-ভাবনা তারাই করে, যারা আল্লাহর দিকে রুজু থাকে। (Ghaafir: 13)
(20) আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রাণ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। (Az-Zumar: 42)
(21) যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে, পরকালের আশংকা রাখে এবং তার পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এরূপ করে না; বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান। (Az-Zumar: 9)
(22) সেখানে তারা আর্ত চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব, পূর্বে যা করতাম, তা করব না। (আল্লাহ বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি, যাতে যা চিন্তা করার বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন করেছিল। অতএব আস্বাদন কর। জালেমদের জন্যে কোন সাহায্যকারী নেই। (Faatir: 37)
(23) বলুন, আমি তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছিঃ তোমরা আল্লাহর নামে এক একজন করে ও দু, দু জন করে দাঁড়াও, অতঃপর চিন্তা-ভাবনা কর-তোমাদের সঙ্গীর মধ্যে কোন উম্মাদনা নেই। তিনি তো আসন্ন কাঠোর শাস্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে সতর্ক করেন মাত্র। (Saba: 46)
(24) আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। (Ar-Room: 21)
(25) আল্লাহ দিন ও রাত্রির পরিবর্তন ঘটান। এতে অর্ন্তদৃষ্টি-সম্পন্নগণের জন্যে চিন্তার উপকরণ রয়েছে। (An-Noor: 44)
(26) এখন তারা বলবেঃ সবই আল্লাহর। বলুন, তবুও কি তোমরা চিন্তা কর না? (Al-Muminoon: 85)
(27) অতএব তারা কি এই কালাম সম্পক চিন্তা-ভাবনা করে না? না তাদের কাছে এমন কিছু এসেছে, যা তাদের পিতৃপুরুষদের কাছে আসেনি? (Al-Muminoon: 68)
(28) এবং তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তু সমূহের মধ্যে চিন্তা করার বিষয় রয়েছে। আমি তোমাদেরকে তাদের উদরস্থিত বস্তু থেকে পান করাই এবং তোমাদের জন্যে তাদের মধ্যে প্রচুর উপকারিতা আছে। তোমরা তাদের কতককে ভক্ষণ কর। (Al-Muminoon: 21)
(29) মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল। (Al-Anbiyaa: 103)
(30) অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আমি এমনি ভাবে বিশ্ববাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি। (Al-Anbiyaa: 88)
(31) অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ। (Al-Anbiyaa: 64)
(32) এমনিভাবে আমি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি এবং এতে নানাভাবে সতর্কবাণী ব্যক্ত করেছি, যাতে তারা আল্লাহভীরু হয় অথবা তাদের অন্তরে চিন্তার খোরাক যোগায়। (Taa-Haa: 113)
(33) অতঃপর তোমরা তাকে নম্র কথা বল, হয়তো সে চিন্তা-ভাবনা করবে অথবা ভীত হবে। (Taa-Haa: 44)
(34) যখন তোমার ভগিনী এসে বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলে দেব কে তাকে লালন পালন করবে। অতঃপর আমি তোমাকে তোমার মাতার কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চক্ষু শীতল হয় এবং দুঃখ না পায়। তুমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, অতঃপর আমি তোমাকে এই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেই; আমি তোমাকে অনেক পরীক্ষা করেছি। অতঃপর তুমি কয়েক বছর মাদইয়ান বাসীদের মধ্যে অবস্থান করেছিলে; হে মূসা, অতঃপর তুমি নির্ধারিত সময়ে এসেছ। (Taa-Haa: 40)
(35) আমি এই কোরআনে নানাভাবে বুঝিয়েছি, যাতে তারা চিন্তা করে। অথচ এতে তাদের কেবল বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়। (Al-Israa: 41)
(36) এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (An-Nahl: 69)
(37) তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তুদের মধ্যে চিন্তা করার অবকাশ রয়েছে। আমি তোমাদেরকে পান করাই তাদের উদরস্থিত বস্তুসমুহের মধ্যে থেকে গোবর ও রক্ত নিঃসৃত দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্যে উপাদেয়। (An-Nahl: 66)
(38) প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে নিদশাবলী ও অবতীর্ণ গ্রন্থসহ এবং আপনার কাছে আমি স্মরণিকা অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি লোকদের সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। (An-Nahl: 44)
(39) যিনি সৃষ্টি করে, তিনি কি সে লোকের সমতুল্য যে সৃষ্টি করতে পারে না? তোমরা কি চিন্তা করবে না? (An-Nahl: 17)
(40) তোমাদের জন্যে পৃথিবীতে যেসব রং-বেরঙের বস্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন, সেগুলোতে নিদর্শন রয়েছে তাদের জন্যে যারা চিন্তা-ভাবনা করে। (An-Nahl: 13)

এতসবই অন্তর পরিশুদ্ধতার মাধ্যমে আত্ম উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র চিন্তাশীলদের চিন্তা করার বিষয়। রসূল (সা.) বলেছেন- মান আরাফা নফসহু; ফাকাদ আরাফা রাব্বাহু। অর্থাৎ- যে নিজেকে চিনেছে; সে তার প্রভুকে চিনেছে। নিজেকে নিচলেই তো প্রভুকে চেনা যাবে। আর প্রভুকে চিনতে পারলেই; তার এবাদত (দাসত্ব) পরিপূর্ণ করা যাবে। ফলে মন থাকবে প্রফুল্ল, উৎফুল্ল। কোন দুচিন্তা তাকে গ্রাস করবে না। কারণ আল্লাহ গর্দানের শাহ রগ হইতে নিকটে। শুধু আমাদের তার নিকটবর্তী হওয়া প্রয়োজন। আল্লাহ বলেন- “সিজদা কর ও নিকটবর্তী হও” -আল কুরআন ৯৬:১৯। নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ। এখানে চিন্তার বিষয় হচ্ছে আল্লাহকে না চিনলে নিকটবর্তী হবে কিরূপে? আর আল্লাহকে না দেখলে চিনবেই বা কেমন করে। আল্লাহ তায়ালা বলেন- “হে নফছে মুতমাইন্নাতুর (শান্তিপ্রাপ্ত আত্মা)! তোমার প্রভুর নিকট ফিরে যাও। তুমি আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট এবং তিনিও তোমার উপর সস্তুষ্ট। তারপর তুমি আমার দাসত্বে প্রবেশ কর এবং আমার জন্নাতে প্রবেশ কর।“‍ সূরা- আল ফজর, আয়াত: ২৭-৩০। মোদ্দা কথা- আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়া, আল্লাহর দিকে ফেরে যাওয়া, আল্লাহর দাসত্ব গ্রহণ করা ও বেহেস্তে প্রবেশ করা সবই আল্লাহর আদেশ। আল্লাহর আদেশ ফরজ (অবশ্যই করণীয় কর্তব্য)। এ অবশ্যকরণীয় আদেশগুলি জীবিত থাকতেই করতে হবে। যাহা কিছু করণীয় এইখানেই; পরকালে কিছু করার নাই; কিছুই করার নাই। পরকালে শুধু পৃথিবীর কার্যফল ভোগ করার জন্যে। অতএব, চিন্তা করুন; চিন্তা করবেন না চিন্তা ছাড়বেন।
 

 ওয়ামা আলাইনা ইল্লাল বালাগুল মুবিন। জাযাকাল্লাহু খাইর

বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ (ছা.) ও তাঁর আহলে বায়েত বইটি প্রত্যেক রাসূল অনুসারী ও অনুসন্ধিৎসা পাঠকদের জন্য ..

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রাসূল (ছা.) জীবনি সম্পর্কে স্বচ্ছ ও সত্য জ্ঞানার্জনে বইটিতে যা যা পাবেন তা সংক্ষেপে নিন্ম: হযরত মু...