আল্লাহর
শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষ। মানুষের কল্যাণই আল্লাহর কাম্য। নবী-রাসূল প্রেরণ
করে আল্লাহ মানুষের কল্যাণ ও শান্তির বিধান জারী করেছেন। পরিপূর্ণ
বিধানাবলী এসেছে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলেহি ওয়া সাল্লাম এর মাধ্যমে। ইহাই ইসলাম বা
শান্তি। রাসূল (ছাঃ) পরবর্তীকালে যাতে ইসলাম বিপন্ন না হয় সে জন্য হযরত আলী
(আঃ) কে তাঁর উত্তরাধিকারী মনোনয়ন করে যান। নবুয়াতীর শেষ
দায়িত্ব হচ্ছে স্থলাভিষিক্ত নিধার্রণকরণ। ইসলামের শত্রুরা ( মক্কা বিজয়ের
পরে যারা উপায় না পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করে সম্রাজ্য বনে যায় ) ইসলামকে তারা
তাদের মত করে সাজায়। ইসলামের মৌলিক ৫টি স্তম্ভকে অপব্যাখ্যা করে। সর্বত্র
বিরাজমান আল্লাকে ৭ম আসমানে নিয়ে যায়। শুধু শুনিয়া ইমান আনয়নের পর মানুষ
তার বাস্তব উপলব্ধি করার শিক্ষায় ধাবিত হচ্ছে না। যেমন শাহ্ কছিম উদ্দিন
(রঃ) ‘দেওয়ান’ কাব্য গ্রন্থের বলেছেন:-
“শুনিলে না হয় শুধু ইমান কারার,
দেখিল না খলিল তবু দেখা দরকার”
(সূরা বাকারা আয়াত ২৬০ দ্র:) [কারার অর্থ দৃঢ় বা মজবুত]
মানুষের কাছে নামাজকে আধ্যাত্মিক রূপ উপেক্ষা করে যেভাবে উপস্থাপনা করে হয়েছে তাতে মানুষ নামাজের প্রতি আকর্ষণ হচ্ছে না বা নামাজ মানুষকে আর্কষণ করছে না। রাছূল (ছাঃ) এর ওফাতের দের হাজার বছর পরও মানুষকে নামাজের তাদিগ দিতে হচ্ছে। আল্লাহর আদেশ সার্বজনীন জেনেও যাকাত, হজ্ব গরীবের জন্যও ফরজ তা প্রচার করা হয়নি। সমস্ত উদ্বৃত্ত ব্যয় করার আল্লাহর সুস্পষ্ট আদেশ থাকা সত্বেও (২:২১৯) শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দেয়ার বিধান করে ইসলামে পুজিঁবাদের প্রচলন করা হয়েছে। রোজার বিষয়েও অস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের বাস্তব প্রয়োগ না থাকায় প্রকৃত ইসলাম মানুষ জানতে পারছে না। এই বিষয়গুলি লক্ষ রেখে লেখক ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ-এর উপর ‘ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ’ নামে কিতাবখানি রচনা করেছেন। কুরআন হাদিছভিত্তিক ব্যাখ্যাসহ বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত্ ইসলাম প্রিয় মানুষদের বইটি খুবই উপকারে আসবে। আল্লাহ মালুম।
‘ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ’ এর লেখক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ বখশী জাহাঁগীর আলি মিয়া একজন উচুমানের ধর্মীয় গবেষক হিসাবে খ্যাত এবং অত্যান্ত উদার মনের অধিকারী। তার লেখা আরো গ্রন্থসমূহের মধ্যে ‘শাহ্ কছিমদ্দিন আহমদের এর জীবনী’ ‘খাজা হযরত উয়ায়েছ করণী বারগাহে রাসূলের জীবন’ উল্লেখযোগ্য। লেখক লিখেছেন- তার সমস্ত জ্ঞান তার মুর্শিদ হযরত শাহ্ মুহম্মদ মহসিন খান (রঃ) এর হতে আল্লাহ দান করেছেন। তার মুর্শিদ “হযরত মুহাম্মদ (ছাঃ)” “মানুষ তত্ত্ব” সহ অরো অমুল্য বই লিখে গেছেন। লেখক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ বখশী জাহাঁগীর আলি মিয়া উচ্চমানের বহু গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যেমন-পারসী ভাষার বাংলা অনুবাদ, শাহ্ কছিমুদ্দিন(রঃ) এর ‘দেওয়ান’ ‘মসনবী’ ‘আদাবে মুরশিদ’ কাব্যগ্রন্থসমূহ, ইত্যাদি।
লেখক- আলহাজ্ব অধ্যক্ষ বখশী জাহাঁগীর আলি মিয়া। ফোন-; ০২৭৭১০৭৫০
হাদিয়াঃ ১৫০ টাকা ।
বই প্রাপ্তি স্থান (সরাসরি লেখক)-
খানকা-এ-উয়ায়সী
৭৭ দক্ষিণ সেওতা, মানিকগঞ্জ।
০১৭১৭৭১৬১২৭
উয়ায়ছী গ্রন্থ কেন্দ্র
মদিনা ভিলা
০৭ দক্ষিণ সেওতা, মানিকগঞ্জ
০১৭১৫৯১৫৮৩৩
আশেক মোরশেদ
‘কালিয়াকৈর উয়ায়ছী দরবার’
কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
০১৭২০৬০২২২২
“শুনিলে না হয় শুধু ইমান কারার,
দেখিল না খলিল তবু দেখা দরকার”
(সূরা বাকারা আয়াত ২৬০ দ্র:) [কারার অর্থ দৃঢ় বা মজবুত]
মানুষের কাছে নামাজকে আধ্যাত্মিক রূপ উপেক্ষা করে যেভাবে উপস্থাপনা করে হয়েছে তাতে মানুষ নামাজের প্রতি আকর্ষণ হচ্ছে না বা নামাজ মানুষকে আর্কষণ করছে না। রাছূল (ছাঃ) এর ওফাতের দের হাজার বছর পরও মানুষকে নামাজের তাদিগ দিতে হচ্ছে। আল্লাহর আদেশ সার্বজনীন জেনেও যাকাত, হজ্ব গরীবের জন্যও ফরজ তা প্রচার করা হয়নি। সমস্ত উদ্বৃত্ত ব্যয় করার আল্লাহর সুস্পষ্ট আদেশ থাকা সত্বেও (২:২১৯) শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দেয়ার বিধান করে ইসলামে পুজিঁবাদের প্রচলন করা হয়েছে। রোজার বিষয়েও অস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের বাস্তব প্রয়োগ না থাকায় প্রকৃত ইসলাম মানুষ জানতে পারছে না। এই বিষয়গুলি লক্ষ রেখে লেখক ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ-এর উপর ‘ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ’ নামে কিতাবখানি রচনা করেছেন। কুরআন হাদিছভিত্তিক ব্যাখ্যাসহ বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত্ ইসলাম প্রিয় মানুষদের বইটি খুবই উপকারে আসবে। আল্লাহ মালুম।
‘ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ’ এর লেখক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ বখশী জাহাঁগীর আলি মিয়া একজন উচুমানের ধর্মীয় গবেষক হিসাবে খ্যাত এবং অত্যান্ত উদার মনের অধিকারী। তার লেখা আরো গ্রন্থসমূহের মধ্যে ‘শাহ্ কছিমদ্দিন আহমদের এর জীবনী’ ‘খাজা হযরত উয়ায়েছ করণী বারগাহে রাসূলের জীবন’ উল্লেখযোগ্য। লেখক লিখেছেন- তার সমস্ত জ্ঞান তার মুর্শিদ হযরত শাহ্ মুহম্মদ মহসিন খান (রঃ) এর হতে আল্লাহ দান করেছেন। তার মুর্শিদ “হযরত মুহাম্মদ (ছাঃ)” “মানুষ তত্ত্ব” সহ অরো অমুল্য বই লিখে গেছেন। লেখক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ বখশী জাহাঁগীর আলি মিয়া উচ্চমানের বহু গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যেমন-পারসী ভাষার বাংলা অনুবাদ, শাহ্ কছিমুদ্দিন(রঃ) এর ‘দেওয়ান’ ‘মসনবী’ ‘আদাবে মুরশিদ’ কাব্যগ্রন্থসমূহ, ইত্যাদি।
লেখক- আলহাজ্ব অধ্যক্ষ বখশী জাহাঁগীর আলি মিয়া। ফোন-; ০২৭৭১০৭৫০
হাদিয়াঃ ১৫০ টাকা ।
বই প্রাপ্তি স্থান (সরাসরি লেখক)-
খানকা-এ-উয়ায়সী
৭৭ দক্ষিণ সেওতা, মানিকগঞ্জ।
০১৭১৭৭১৬১২৭
উয়ায়ছী গ্রন্থ কেন্দ্র
মদিনা ভিলা
০৭ দক্ষিণ সেওতা, মানিকগঞ্জ
০১৭১৫৯১৫৮৩৩
আশেক মোরশেদ
‘কালিয়াকৈর উয়ায়ছী দরবার’
কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
০১৭২০৬০২২২২






